যানযটে পরিপূর্ণ আমতলী বাধঘাট

পারভেজ শাহরিয়ার, আমতলী (বরগুনা)ঃ যানযটে পরিপূর্ণ রয়েছে আমতলী বাধঁঘাট। দেখলে মনে হবে যেন ঢাকা গুলিস্তান। আমতলী বাধঘাট বটতলা থেকে আমতলী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রায় আধা কিলোমিটার পর্যন্ত পটুয়াখালী কুয়াকাটা হাইওয়ে রোড, আবার চৌরাস্তা থেকে ফেরিঘাট পূর্যন্ত আঘা কিলোমিটার রাস্তাটি জনগুরুত্বপূর্ণ সড়কটিতে অস্থায়ী বাসস্টান্ডে পরিণত হওয়ায় ক্রমেই বাড়ছে ভোগান্তি, বাড়ছে ঝুকি। বটতলা টু ফেরিঘাট রাস্তার দু’পাশে বয়ে চলেছে হকারদের উৎপাত যে যার মতো করে বসেন বা দখল করে নিচ্ছে রাস্তার দু’পাশ। চৌরাস্তার পশ্চিম পাশে কাচা বাজার ও মাছ বাজার থাকার করনে হকাররা রাস্তা দখল করে যে যার মত করে কাচাবাজার বিক্রি করে যাচ্ছে। ফলে ব্যহত হচ্ছে গাড়ি চলাচল।

বটতলা পয়েন্ট থেকে দূর পাল্লার বিভিন্ন পরিবহনের [ডে-নাইট কোচ] যশোর-বেনাপল, চাপাইনবাবগঞ্জ , চট্রগ্রাম, পাবনা-সৈয়দপুর, সিরাজগঞ্জ, ঢাকা গাবতলী- সায়েদবাদের উদ্দ্যেশে প্রতিদিন প্রায় ৫০টির বেশী বাস এই স্থান থেকে যাত্রী ওঠা-নামানো হয়। সড়কটির মধ্যস্থানে রয়েছে ধান-চাল ও কাচা বাজারের আড়ৎ। যত্রতত্র থামছে কাভার্ড ভ্যান, লরি, ট্রাক থেকে ওঠানো- নামানো হচ্ছে পণ্য।

চৌরাস্তা হোটেল দোহার সম্মুখে রয়েছে পটুয়াখালীগামী লোকাল কাউন্টার, মোড়ের ডান পাশে রয়েছে বরিশালগামী কাউন্টার, অপরপাশে হাসপাতাল সড়কে রয়েছে কলাপাড়া – কুয়াকাটা, তালতলীগামী কাউন্টার। এসব কারনে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, গুর”তর অসুস্থ রোগী ও পথচারী সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাচ্ছে । অথচ এই মহাদুর্ভোগ লাঘবে নেই কারো মাথা ব্যথা। চৌরাস্তায় দুজন ট্রাফিক থাকলেও তিনি ব্যস্ত থাকেন ট্রলি, ট্রাক, টমটম ড্রাইভারদের কাছ থেকে চাঁদা আদায়ের জন্য। চাঁদা আদায়ের জন্য নিয়োগ দিয়েছেন লোক। যিনি চারদিক ভাল করে নজর রেখে চাঁদা আদায় করে ভরে দিচ্ছেন ট্রাফিকের পকেট। কখনও বা নিজেই আদায় করেন এই চাঁদা। চৌরাস্তায় যানজট লেগে থাকলে তাতে ট্রাফিক এর কিছু যায় আসে না, কিন্তু কোন ট্রলি, ট্রাক, টমটম চাঁদা না দিয়ে যেন যেতে না পারে। দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে গুর”ত্বপূর্ণ বিষয়টিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকরী কোনো উদ্যোগ না থাকায় জনমনে ক্ষোভ বাড়ছে।

উল্লেখিত স্থান গুলিতে আরো আছে লিংক রোডে চলাচলকারী ইজিবাইক, মাহেন্দ্রা ও হুন্ডার স্টান্ড। আমতলী-কুয়াকাটা হাইওয়ে, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ৫টি ডায়গনষ্টিক সেন্টার রয়েছে। যানযটের কারনে উচ্চস্বরে হর্ন বাজাচ্ছে পরিবহনগুলো, নেই কোন গতি রোধক প্লাকার্ড স্পিড ব্রেকার।

 

বিভিন্ন যানবাহনের চালক, শ্রমিক, স্কুল, কলেজ শীক্ষার্থী, রোগী, পথচারীসহ দুর্দশার শিকাড় সকল মানুষের দাবী সমস্যা সমাধানে দ্রুতই নেয়া হোক সমন্বিত এবং কার্যকর উদ্যোগ।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here